Loafer Friendz
Sunday, January 17, 2016
Saturday, January 16, 2016
পানিভর্তি গ্লাস হাতে নিয়ে ক্লাশ আরম্ভ করলেন এক শিক্ষক । হাত দিয়ে গ্লাসটি উঁচু করে ধরে জিজ্ঞেস করলেন এই গ্লাসটির ওজন কত বলতে পার ? ৫০ গ্রাম ? ১০০ গ্রাম ? ১২৫ গ্রাম ?
ছাত্ররা নানারকম উত্তর দিল । শিক্ষক বললেন আসলে ওজন না মেপে এর প্রকৃত ওজন আমি বলতে পারবনা তবে আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমি যদি এটাকে এভাবেই কয়েক মিনিট ধরে রাখি তাহলে কি হবে ?
ছাত্ররা উত্তর দিল কিছুই না ।
শিক্ষক বললেন যদি এক ঘন্টা ধরে রাখি ?
ছাত্ররা বললো আপনার হাত চুলকাবে ।
শিক্ষক বললেন ঠিক বলেছো , আমি যদি সারাদিন এভাবেই ধরে রাখি তাহলে কি হবে ?
আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন আপনার হাত অবশ হয়ে যেতে পারে । আপনার শরীরের ওপর অনেক চাপ পড়বে এবং আপনাকে হাসপাতালে যেতে হবে।
একদম ঠিক তবে এই সবকিছুর পরেও গ্লাসের ওজনের কি কোন কমবেশি হবে ? শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন ?
ছাত্রদের সমবেত উত্তর , না ।
তাহলে কেন আমার হাত চুলকাবে এবং পেশিতে চাপ পড়বে ? শিক্ষকের প্রশ্ন ।
ছাত্ররা অবাক হয়ে বললো গ্লাসটি নামিয়ে দিন স্যার তাহলেই হয় ।
শিক্ষক বললো আমাদের জীবনের সমস্যাগুলোও অনেকটা এরকমই । অল্প কিছুক্ষন সমস্যার কথা মাথায় রাখলে কোন সমস্যা হবেনা । বেশি সময় সেটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করলে মাথায় চাপ পড়বে। আরও বেশি সময় সে সমস্যা মাথায় রাখলে তোমার মস্তিষ্কই অচল হয়ে পড়বে এবং তুমি কিছুই করতে পারবেনা । আমাদের জীবনের সমস্যাগুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করাটা গুরুত্বপূর্ণ তবে সবরকম পরিস্থিতিতেই আল্লাহর উপর আস্থা রাখাটা আরও বেশি জরুরী এবং প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে সব ধরনের চিন্তাভাবনা মাথা থেকে সরিয়ে রাখতে পারলে ভাল হয় । এটা করতে পারলে আমাদের উপর তেমন বেশি চাপ পড়বেনা ।
প্রতিদিন সকালে সুস্থ্যসতেজ মন নিয়ে ঘুম থেকে উঠে সমস্যা ও চ্যালেঞ্জগুলো সুন্দরভাবে মোকাবেলা করতে পারবো ।
সুতরাং দিনশেষে গ্লাসটি নামিয়ে রাখুন এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখুন ।
ছাত্ররা নানারকম উত্তর দিল । শিক্ষক বললেন আসলে ওজন না মেপে এর প্রকৃত ওজন আমি বলতে পারবনা তবে আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমি যদি এটাকে এভাবেই কয়েক মিনিট ধরে রাখি তাহলে কি হবে ?
ছাত্ররা উত্তর দিল কিছুই না ।
শিক্ষক বললেন যদি এক ঘন্টা ধরে রাখি ?
ছাত্ররা বললো আপনার হাত চুলকাবে ।
শিক্ষক বললেন ঠিক বলেছো , আমি যদি সারাদিন এভাবেই ধরে রাখি তাহলে কি হবে ?
আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন আপনার হাত অবশ হয়ে যেতে পারে । আপনার শরীরের ওপর অনেক চাপ পড়বে এবং আপনাকে হাসপাতালে যেতে হবে।
একদম ঠিক তবে এই সবকিছুর পরেও গ্লাসের ওজনের কি কোন কমবেশি হবে ? শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন ?
ছাত্রদের সমবেত উত্তর , না ।
তাহলে কেন আমার হাত চুলকাবে এবং পেশিতে চাপ পড়বে ? শিক্ষকের প্রশ্ন ।
ছাত্ররা অবাক হয়ে বললো গ্লাসটি নামিয়ে দিন স্যার তাহলেই হয় ।
শিক্ষক বললো আমাদের জীবনের সমস্যাগুলোও অনেকটা এরকমই । অল্প কিছুক্ষন সমস্যার কথা মাথায় রাখলে কোন সমস্যা হবেনা । বেশি সময় সেটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করলে মাথায় চাপ পড়বে। আরও বেশি সময় সে সমস্যা মাথায় রাখলে তোমার মস্তিষ্কই অচল হয়ে পড়বে এবং তুমি কিছুই করতে পারবেনা । আমাদের জীবনের সমস্যাগুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করাটা গুরুত্বপূর্ণ তবে সবরকম পরিস্থিতিতেই আল্লাহর উপর আস্থা রাখাটা আরও বেশি জরুরী এবং প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে সব ধরনের চিন্তাভাবনা মাথা থেকে সরিয়ে রাখতে পারলে ভাল হয় । এটা করতে পারলে আমাদের উপর তেমন বেশি চাপ পড়বেনা ।
প্রতিদিন সকালে সুস্থ্যসতেজ মন নিয়ে ঘুম থেকে উঠে সমস্যা ও চ্যালেঞ্জগুলো সুন্দরভাবে মোকাবেলা করতে পারবো ।
সুতরাং দিনশেষে গ্লাসটি নামিয়ে রাখুন এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখুন ।
গাধা
গাধাকে সৃষ্টি করার পরে
সৃষ্টিকর্তা বললেন...
তুই আজীবন কঠোর
পরিশ্রম করবি,
অন্যের বোঝা বয়ে বেড়াবি.!!
তোর মাথায় কোনো বুদ্ধিও
থাকবেনা.!!তোকে আয়ু দিলাম
৫০
বছর.!!...গাধাবলে - কি করে
হবে.??
এত কষ্ট করে আমি এত দীর্ঘদিন
বাঁচতে চাইনা.!! দয়া করে, আমার
আয়ু কমিয়ে ২০ বছর করে দিন.!!
সৃষ্টিকর্তা বললেন - যাহ, তাই
দিলাম.!!কুকুরকে বললেন, তুই হবি
মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু,
কিন্তু মানুষের উচ্ছিষ্ট খেয়ে
বেঁচে থাকবি.!!
তোর আয়ু হবে ৩০ বছর.!!শুনে,
কুকুর
ঈশ্বর কে বলল.!! দয়াকরে,
একটু ছোট করে ঐটা ১৫ করুন.!!
এতদিন বাঁচতে চাই না!!
ঈশ্বর এইবারও রাজি হয়ে গেলেন.!!
এরপর উনি
বানর কে বললেন -হে বানর, তোর
একমাত্র কাজ হবে লাফিয়ে
লাফিয়ে এক গাছ থেকে আরেক
গাছে ওঠা.!! আর তামশা
দেখিয়ে
মানুষ কেবিনোদন দেয়া.!!
তোর আয়ু দিলাম ২০ বছর.!!
সে আবেগে কেঁদে ঈশ্বরকে
বলল-
দেবেনই যখন ১০ বছর দিন, আমি এত
বড় জীবন দিয়ে কি করবো.??
ঈশ্বর এইবার মানুষকে বলল, তুমি
হবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব.!!
সবচেয়ে জ্ঞানী এবং বিচক্ষণ.!!
তোমার আয়ুও হবে ২০ বছর.!!
সে তো আনন্দে খুশিতে পাগল
হয়ে
গেছে কিন্তু এত মহৎ জীবন
নিয়ে
মাত্র ২০ বছর.??
কি লাভ.??
সে কর জোরে প্রভুকে বলল,
একটা
কাজ করা যায় না.??
আপনি আমাকে গাধার ফেরত
দেয়া ৩০ বছর, কুকুরের ১৫ বছর,
বানরের ১০ বছর দিয়ে দিন.!!
আই ওয়ান্ট টু লিভ মাই লাইফ টু দ্য
ফুলেস্ট!!---------
ঈশ্বর বললেন-নিজের ভালো
পাগলেও বোঝে, তুই বুঝলি না.!!
যাহ, দিলাম.!!সেই থেকে...
ছেলেরা, পুরুষ মানুষ হিসেবে
বাঁচে ২০ বছর,
পরের ৩০ বছর গাধারমত সংসারের
বোঝা টানে.!!
তার পরের ১৫ বছর ছেলে
মেয়ে
যা
দেয় তাই খেয়ে পরে বেঁচে
থাকে
কুকুরেরমত.!!
আর তার পরের দশ বছর বানরের
মত,
কখনো এক সন্তানের বাড়ীতে
তো
কখনো আরেক সন্তানের
বাড়ীতে
ঘুরে আর নাতি নাতনিদের
বিনোদন দেয়াই হয় তাদের প্রধান
দায়িত্ব..!
গল্পটা পুরাটাই কাল্পনিক।
কাল্পনিক হলেও এটাই
বাস্তবতা..........
গাধাকে সৃষ্টি করার পরে
সৃষ্টিকর্তা বললেন...
তুই আজীবন কঠোর
পরিশ্রম করবি,
অন্যের বোঝা বয়ে বেড়াবি.!!
তোর মাথায় কোনো বুদ্ধিও
থাকবেনা.!!তোকে আয়ু দিলাম
৫০
বছর.!!...গাধাবলে - কি করে
হবে.??
এত কষ্ট করে আমি এত দীর্ঘদিন
বাঁচতে চাইনা.!! দয়া করে, আমার
আয়ু কমিয়ে ২০ বছর করে দিন.!!
সৃষ্টিকর্তা বললেন - যাহ, তাই
দিলাম.!!কুকুরকে বললেন, তুই হবি
মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু,
কিন্তু মানুষের উচ্ছিষ্ট খেয়ে
বেঁচে থাকবি.!!
তোর আয়ু হবে ৩০ বছর.!!শুনে,
কুকুর
ঈশ্বর কে বলল.!! দয়াকরে,
একটু ছোট করে ঐটা ১৫ করুন.!!
এতদিন বাঁচতে চাই না!!
ঈশ্বর এইবারও রাজি হয়ে গেলেন.!!
এরপর উনি
বানর কে বললেন -হে বানর, তোর
একমাত্র কাজ হবে লাফিয়ে
লাফিয়ে এক গাছ থেকে আরেক
গাছে ওঠা.!! আর তামশা
দেখিয়ে
মানুষ কেবিনোদন দেয়া.!!
তোর আয়ু দিলাম ২০ বছর.!!
সে আবেগে কেঁদে ঈশ্বরকে
বলল-
দেবেনই যখন ১০ বছর দিন, আমি এত
বড় জীবন দিয়ে কি করবো.??
ঈশ্বর এইবার মানুষকে বলল, তুমি
হবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব.!!
সবচেয়ে জ্ঞানী এবং বিচক্ষণ.!!
তোমার আয়ুও হবে ২০ বছর.!!
সে তো আনন্দে খুশিতে পাগল
হয়ে
গেছে কিন্তু এত মহৎ জীবন
নিয়ে
মাত্র ২০ বছর.??
কি লাভ.??
সে কর জোরে প্রভুকে বলল,
একটা
কাজ করা যায় না.??
আপনি আমাকে গাধার ফেরত
দেয়া ৩০ বছর, কুকুরের ১৫ বছর,
বানরের ১০ বছর দিয়ে দিন.!!
আই ওয়ান্ট টু লিভ মাই লাইফ টু দ্য
ফুলেস্ট!!---------
ঈশ্বর বললেন-নিজের ভালো
পাগলেও বোঝে, তুই বুঝলি না.!!
যাহ, দিলাম.!!সেই থেকে...
ছেলেরা, পুরুষ মানুষ হিসেবে
বাঁচে ২০ বছর,
পরের ৩০ বছর গাধারমত সংসারের
বোঝা টানে.!!
তার পরের ১৫ বছর ছেলে
মেয়ে
যা
দেয় তাই খেয়ে পরে বেঁচে
থাকে
কুকুরেরমত.!!
আর তার পরের দশ বছর বানরের
মত,
কখনো এক সন্তানের বাড়ীতে
তো
কখনো আরেক সন্তানের
বাড়ীতে
ঘুরে আর নাতি নাতনিদের
বিনোদন দেয়াই হয় তাদের প্রধান
দায়িত্ব..!
গল্পটা পুরাটাই কাল্পনিক।
কাল্পনিক হলেও এটাই
বাস্তবতা..........
Subscribe to:
Posts (Atom)