Sunday, January 17, 2016

I love you যত সহজে বলা যায়- 'আমি তোমাকে ভালোবাসি' অত সহজে বলা যায় না। মুখের কাছে এসে আটকে যায়। ভালোবাসাবাসির কথা বলার জন্যে অন্য একধরনের ভাষা থাকলে ভালো হতো। সাইন ল্যাংগুয়েজের মত কোন ল্যাংগুয়েজ। যে ল্যাংগুয়েজে শুধু চোখ ব্যবহার করা হবে
 একটা সমস্যা

মানুষের একটা সমস্যা আছে।
তা হলো খুব
তাড়াতাড়ি কারো সম্পর্কে একটা সিদ্ধান্ত
নিয়ে নেওয়া।
ভালোবাসার মানুষকে আদর করে তুই তোকারি করা যায় তাতে দোষ হয় না, কিন্তু গালাগালি করে তুই তোকারি করা যায় না।"
স্বপ্ন

স্বপ্ন টা কেমন ছিল, তা ঘুম ভাঙ্গার পর
বুঝা যায়।
ঠিক তেমনি কাছের মানুষ কেমন ছিল, তা
শুধু হারিয়ে যাবার পর বুঝা যায়।

Saturday, January 16, 2016

পানিভর্তি গ্লাস হাতে নিয়ে ক্লাশ আরম্ভ করলেন এক শিক্ষক । হাত দিয়ে গ্লাসটি উঁচু করে ধরে জিজ্ঞেস করলেন এই গ্লাসটির ওজন কত বলতে পার ? ৫০ গ্রাম ? ১০০ গ্রাম ? ১২৫ গ্রাম ? 
ছাত্ররা নানারকম উত্তর দিল । শিক্ষক বললেন আসলে ওজন না মেপে এর প্রকৃত ওজন আমি বলতে পারবনা তবে আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমি যদি এটাকে এভাবেই কয়েক মিনিট ধরে রাখি তাহলে কি হবে ? 
ছাত্ররা উত্তর দিল কিছুই না ।
শিক্ষক বললেন যদি এক ঘন্টা ধরে রাখি ? 
ছাত্ররা বললো আপনার হাত চুলকাবে ।
শিক্ষক বললেন ঠিক বলেছো , আমি যদি সারাদিন এভাবেই ধরে রাখি তাহলে কি হবে ?
আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন আপনার হাত অবশ হয়ে যেতে পারে । আপনার শরীরের ওপর অনেক চাপ পড়বে এবং আপনাকে হাসপাতালে যেতে হবে।
একদম ঠিক তবে এই সবকিছুর পরেও গ্লাসের ওজনের কি কোন কমবেশি হবে ? শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন ?
ছাত্রদের সমবেত উত্তর , না ।
তাহলে কেন আমার হাত চুলকাবে এবং পেশিতে চাপ পড়বে ? শিক্ষকের প্রশ্ন ।
ছাত্ররা অবাক হয়ে বললো গ্লাসটি নামিয়ে দিন স্যার তাহলেই হয় ।
শিক্ষক বললো আমাদের জীবনের সমস্যাগুলোও অনেকটা এরকমই । অল্প কিছুক্ষন সমস্যার কথা মাথায় রাখলে কোন সমস্যা হবেনা । বেশি সময় সেটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করলে মাথায় চাপ পড়বে। আরও বেশি সময় সে সমস্যা মাথায় রাখলে তোমার মস্তিষ্কই অচল হয়ে পড়বে এবং তুমি কিছুই করতে পারবেনা । আমাদের জীবনের সমস্যাগুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করাটা গুরুত্বপূর্ণ তবে সবরকম পরিস্থিতিতেই আল্লাহর উপর আস্থা রাখাটা আরও বেশি জরুরী এবং প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে সব ধরনের চিন্তাভাবনা মাথা থেকে সরিয়ে রাখতে পারলে ভাল হয় । এটা করতে পারলে আমাদের উপর তেমন বেশি চাপ পড়বেনা ।
প্রতিদিন সকালে সুস্থ্যসতেজ মন নিয়ে ঘুম থেকে উঠে সমস্যা ও চ্যালেঞ্জগুলো সুন্দরভাবে মোকাবেলা করতে পারবো ।
সুতরাং দিনশেষে গ্লাসটি নামিয়ে রাখুন এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখুন ।
গাধা 

গাধাকে সৃষ্টি করার পরে
সৃষ্টিকর্তা বললেন...
তুই আজীবন কঠোর
পরিশ্রম করবি,
অন্যের বোঝা বয়ে বেড়াবি.!!
তোর মাথায় কোনো বুদ্ধিও
থাকবেনা.!!তোকে আয়ু দিলাম
৫০
বছর.!!...গাধাবলে - কি করে
হবে.??
এত কষ্ট করে আমি এত দীর্ঘদিন
বাঁচতে চাইনা.!! দয়া করে, আমার
আয়ু কমিয়ে ২০ বছর করে দিন.!!
সৃষ্টিকর্তা বললেন - যাহ, তাই
দিলাম.!!কুকুরকে বললেন, তুই হবি
মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু,
কিন্তু মানুষের উচ্ছিষ্ট খেয়ে
বেঁচে থাকবি.!!
তোর আয়ু হবে ৩০ বছর.!!শুনে,
কুকুর
ঈশ্বর কে বলল.!! দয়াকরে,
একটু ছোট করে ঐটা ১৫ করুন.!!
এতদিন বাঁচতে চাই না!!
ঈশ্বর এইবারও রাজি হয়ে গেলেন.!!
এরপর উনি
বানর কে বললেন -হে বানর, তোর
একমাত্র কাজ হবে লাফিয়ে
লাফিয়ে এক গাছ থেকে আরেক
গাছে ওঠা.!! আর তামশা
দেখিয়ে
মানুষ কেবিনোদন দেয়া.!!
তোর আয়ু দিলাম ২০ বছর.!!
সে আবেগে কেঁদে ঈশ্বরকে
বলল-
দেবেনই যখন ১০ বছর দিন, আমি এত
বড় জীবন দিয়ে কি করবো.??
ঈশ্বর এইবার মানুষকে বলল, তুমি
হবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব.!!
সবচেয়ে জ্ঞানী এবং বিচক্ষণ.!!
তোমার আয়ুও হবে ২০ বছর.!!
সে তো আনন্দে খুশিতে পাগল
হয়ে
গেছে কিন্তু এত মহৎ জীবন
নিয়ে
মাত্র ২০ বছর.??
কি লাভ.??
সে কর জোরে প্রভুকে বলল,
একটা
কাজ করা যায় না.??
আপনি আমাকে গাধার ফেরত
দেয়া ৩০ বছর, কুকুরের ১৫ বছর,
বানরের ১০ বছর দিয়ে দিন.!!
আই ওয়ান্ট টু লিভ মাই লাইফ টু দ্য
ফুলেস্ট!!---------
ঈশ্বর বললেন-নিজের ভালো
পাগলেও বোঝে, তুই বুঝলি না.!!
যাহ, দিলাম.!!সেই থেকে...
ছেলেরা, পুরুষ মানুষ হিসেবে
বাঁচে ২০ বছর,
পরের ৩০ বছর গাধারমত সংসারের
বোঝা টানে.!!
তার পরের ১৫ বছর ছেলে
মেয়ে
যা
দেয় তাই খেয়ে পরে বেঁচে
থাকে
কুকুরেরমত.!!
আর তার পরের দশ বছর বানরের
মত,
কখনো এক সন্তানের বাড়ীতে
তো
কখনো আরেক সন্তানের
বাড়ীতে
ঘুরে আর নাতি নাতনিদের
বিনোদন দেয়াই হয় তাদের প্রধান
দায়িত্ব..!
গল্পটা পুরাটাই কাল্পনিক।
কাল্পনিক হলেও এটাই
বাস্তবতা..........
স্বপ্নপূরণ

স্বপ্নপূরণই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য নয়। তাই বলে,
স্বপ্নকে ত্যাগ করে নয়, তাকে সঙ্গে নিয়ে চলো। স্বপ্ন
ছাড়া জীবন অর্থহীন॥
কষ্ট দিওনা

" কারো মনে কষ্ট দিওনা কারন আগামীকালই তুমি মরে
যেতে পার তার শুভেচ্ছা তোমার প্রয়োজন " তাই কারো কষ্ট দেখেলে তাকে উৎসাহ ,প্রেরণা ,
ধন্যবাদ দেওয়া মানে 

যে আপনাকে সাহায্য করে তাকে ধন্যবাদ। মনে রাখবেন , ধন্যবাদ দেওয়া মানে , আপনি তার সাহায্য কে ধার হিসাবে নিলেন। দেয়ার চেয়ে তার প্রতি সেই কৃতজ্ঞতা সারাজীবন নিজের মধ্যে ধারন করাটা সবচেয়ে জরুরী জিনিস।
ভদ্র আচরন

আজকে একটা রিক্সাওয়ালার আচারন-ব্যাবহার দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম ।
আসলে কি জানেন - আমিমনে করি যে- ভদ্র আচরন করতে শিক্ষা লাগে, অভদ্র আচরন করতে অজ্ঞতাই যথেষ্ট ।
পরীক্ষার সময় ও প্রেম

আমাদের মস্তিষ্ক অসাধারণ।
আমাদের জন্মলগ্ন থেকেই এটা ২৪
ঘন্টা কাজ করে। কিন্তু এটার কাজ
করা থামে, তখন যখন আপনি পরীক্ষার সময় ও প্রেমে
পড়বেন ।
ভবিষ্যৎ সুখ আর আনন্দের পিছনে ছুটার প্রয়োজন নেই,

এক কিশোর পিঁপড়ার খুব শখ যে সে আকাশে উড়ে বেড়াবে। সে তার ছোট্ট মাটির ঘর থেকে বের হয়ে একদিন অনেক দূরে ঘুরতে যাবে। অনেক সুখ আর আনন্দের মাঝে সে স্বপ্নের পাখা মেলে ঘুরবে। সে তার বাবা মাকে এই স্বপ্নের কথা বলে। বাবা মা তাকে বুঝায় যে- বাইরের পরিবেশ ভাল না। আকাশে অনেক ভয়ঙ্কর প্রাণী থাকে যা তোমাকে আঘাত করবে। আলোর কাছে গেলে তোমার মৃত্যু হবে। এত কথা শুনার পরেও কিশোর পিঁপড়া তার স্বপ্নকে ভুলতে পারেনা। সব সময় মাটির কাছে থাকতে তার ভালো লাগেনা। মাটির ময়লা রঙ আস্তে আস্তে তার অসহ্য লাগতে থাকে। একসময় সে জানতে পারে, পিপড়ারাও এক জাদুরপানি খেয়ে উড়তে পারে। কিন্তু যারা সেই পানি একবার খেয়ে উড়ে গেছে- তারা আর কখনই ফিরে আসেনি। তাই সেই জাদুরপানির কূপ বন্ধ করে রাখা হয়েছে।
কিশোর পিঁপড়া প্রতি রাতে সবার অজান্তে সেই জাদুরপানির কূপ আবার খনন করতে থাকে। রাতের চাঁদ তাকে মোহিত করে ফেলে। সে চাঁদের কাছে- আলোর কাছে যাওয়ার স্বপ্নকে আরও তীব্র ভাবে লালন করতে থাকে। একদিন তার পরিশ্রম শেষ হয়। একরাতে সে জাদুরপানির দেখা পায়। সাথে সাথে তা পান করে। এক আশ্চর্য পরিবর্তন আসে তার দেহের গঠনে। অবাক হয়ে লক্ষ্য করে তার দুই পাশে খুব সুন্দর দুটি পাখা গজিয়েছে। আকাশে উড়তে থাকে। অসম্ভব স্বপ্ন তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। সে আরও উপরে উঠতে থাকে। তার সারা শরীরে আনন্দের ঢেউ খেলেতে থাকে। অনেক উপর থেকে সে দূরে এক গ্রাম দেখতে পায়। সেখানে অনেক আলোর খেলা তার নজরে আসে। সে নেশাগ্রস্থের মত সেদিকে যেতে থাকে। পেছনে ফেলে যায় তার ছোট্ট মাটির ঘর। তার ভাই-বোন, যাদের সাথে সে প্রতিদিন খেলা করত। তার বাবা-মা , যারা তাকে অসম্ভব ভাবে ভালোবাসে।
দুরের গ্রামে এসে সে এক বাড়িতে প্রবেশ করে। সে দেখে যে, কিছু ছোট ছোট মানুষ এক আশ্চর্য আলোকে ঘিরে খেলা করছে- ঠিক যেমন সে তার ভাই- বোনদের সাথে দুষ্টুমির খেলা খেলত! একজন বড় মানুষ এসে তাদের খেলা থামিয়ে দিয়ে তাদের মুখে খাবার দিতে লাগলো- ঠিক তার মা যেমন তার মুখে খাবার তুলে দেয়। হঠাৎ করে তার মার কথা মনে আসে। মার কাছে ফিরে যাওয়ার আগে সে সেই আশ্চর্য আলোর কাছে যেতে সামনে আসতে থাকে। আলোর কাছে এসে সে বুঝতে পারে তার হালকা পাখা গলে গেছে । নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সে আলোর উৎস মোমের মত গলিত অংশের উপর পড়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে তার শরীরে ফোস্কা পড়ে গেল। এখন শুধু মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা।
সে বুঝতে পারল , তার মাটির ঘর কত নিরাপদ ছিল। সুখ আর আনন্দের জন্য সে যে জাদুরপানি খেয়েছে, সেই সুখ আর আনন্দের ভিতরেই সে এতদিন ডুবে ছিল। সে বুঝতে পারে, যে আনন্দের পিছনে সর্বদা ছুটে চলেছে, সেই আনন্দ তার হাতের নাগালেই ছিল। ভবিষ্যৎ সুখ আর আনন্দের পিছনে ছুটার প্রয়োজন নেই, বরং সুখ আর আনন্দকে বর্তমানের ভিতরেই খুঁজে নিতে হয়, যা সর্বদা কাছাকাছিই থাকে।
আমাদের সমাজে আজকাল দেখা যায় যে কিছু কিছু মানব জাতি /হিউম্যান আছেন যারা অন্যের মুখের কথা শুনে রাগ / ঝগরা/মারামারি / ইত্যাদি করে থাকে ।তারা মূর্খের চেয়ে ও আদম । তারা যেন পুশুর চেয়ে ও হিংস্র প্রাণী । এইটা আমরা অনেকই করে থাকি । কারণ কি আমরা সহযে রেগে উঠি । কারণ আমরা তো মানব জাতি । আফটার অল হিউম্যান বলে কথা। জন্ম থেকে যে আমাদের গাঁড়ের শিরা বেকা। তাই নিজেকে অনেক কিছু মনে করি বলে আমরা অন্যের কথা শোনা মাত্রই উত্তেজিত
হয়ে পরি ।কিন্তু ,আগে কথাটির সত্যতা কি যাচাই করি ।
তাই অন্যের কথা শোনা মাত্রই উত্তেজিত
হয়ো না,
আগে কথাটির সত্যতা যাচাই করো
তারপর উত্তেজিত হও।
যখন তুমি প্রেমে পড়বে তখন আর তোমার ঘুমাতে ইচ্ছে করবেনা; কারন তখন তোমার বাস্তব জীবন স্বপ্নের চেয়ে আনন্দময় হবে ।
ভাই আমরা অনেকই দেখি বা শুনি যে - নারী কে ভালবেসে কেউ জীবন দিতে চায় , বা পটল তুলতে চাই বা অক্কা পাইতে চাই । দেবদাস হতে চান ভাই তাদের জন্য বলছি ভাই বা আপ্পি/মামা/মামি/ ফ্রেন্ণ্ডে জন্য বলছি যে নারীকে ভালবেসে বা তার জন্য জীবন দেওয়া যত সহজ সেই নারী বা তার সাথে সংসার করা তত সহজ না"।
নারী জাতি 

অসৎ লোক কাউকে সৎ
মনে করে না,
সকলকেই সে নিজের মত
ভাবে।
ঠিক কিছু কিছু নারী বা মেয়ে আছে যারা ছেলেদের কে বিশ্বাস করে না ।
তার মানে কি ?? তারা নিজেরাই বিশ্বাসের যোগ্য না ।
আমার মা 

একজন মাঝবয়সী ভদ্রলোক।৪০-৪৫ হবে।মোবাইল ফোনে তার মায়ের সাথে কথা বলছেন।আমি পাশেই বসে।কোনভাবে মোবাইল লাউডস্পিকার অন/ON থাকায় মা আর ছেলের কথোপকথন পুরোটা শুনতে পাচ্ছি আমি....
ছেলে:আম্মা,সেই কখন ফোন দিসি,এতক্ষনে কল ব্যাক করলা..তুমি এতক্ষন কই ছিলা?
আম্মা:রান্না করলাম
ছেলে:কি রান্না করসো মা?
আম্মা: তোরা তো দেশী মুরগী ছাড়া খাস না,আজকে আমার কেন জানি ফার্মের মুরগী খেতে ইচ্ছা করসে,সেটাই রান্না করলাম...একটু খাবিনা?
ছেলে:অবশ্যই খাবো আম্মা,আমার মা রান্না করসে আর আমি খাবোনা!! আচ্ছা আম্মা,আমার না প্রেশার হাই হয়ে গেসে,কি করি বলোতো?তোমার ও হাই প্রেশার এখন আমার ও হাই প্রেশার হা হা হা...আচ্ছা আম্মা তোমার কেন হাই প্রেশার হইলো বলোতো!!
আম্মা:টেনশন করলে হাই প্রেশার হয় বাবা,নানান জিনিস নিয়ে টেনশন করি তো তাই বোধয়।
ছেলে:কেন আম্মা,তোমার কি টেনশন।কি নিয়ে এত টেনশান কর?
আম্মা:মেয়েটা বিদেশ গেল...কেমন লাগে না!সন্তান দূরে চলে গেলে বুকের মধ্যে একটা কষ্ট হয়।ওইসব নিয়েই ভাবি।
ছেলে:বিদেশ গেসে তো কি হইসে,ওরা তো ভাল আছে মা..আচ্ছা মা আমাকে নিয়ে তোমার কোন টেনশান হয়না??
আম্মা:বাবা, তুমি তো চোখের সামনেই আসো,দেখতেসি ভাল আসো আল্লাহর রহমতে...
তারপর মা কথা শেষ করার আগেই ছেলেটা আবার আহ্লাদ করে বলতে লাগলো- ইউ ডোন্ট লাভ মি তাই না আম্মা??তুমি তোমার মেয়েদেরই বেশী ভালবাসো...নাহ আম্মা তুমি আমাকে ভালবাসো না....
আর আম্মাটা... পাগল ছেলের কথা শুনে সে কি সরল হাসি.... হেসেই যাচ্ছে... হেসেই যাচ্ছে...হাসতে হাসতেই বলছে,মা কখোনো কোনো সন্তানকে কম ভালবাসতে পারে নাকি বোকা!!
ছেলে বলছে:আচ্ছা আম্মা এখন রাখি, বাসায় ফিরে তোমার রান্না করা মুরগী দিয়ে ভাত খাব।
এই ভদ্রলোক জানেন না,কয়েক মিনিটে আমি কতবার তাদের মা সন্তানের কথা শুনে চোখ ভিজিয়েছি।
এই ভদ্রলোক জানেন,কিভাবে একটা সম্পর্ক সতেজ রাখতে হয়।
ওই ভদ্রলোক শেখালেন,বয়স যতই হোক সন্তান মায়ের কাছে সত্যিই বড় হয়না কখনো।ছোটবেলার আহ্লাদ, দুষ্টুমি, খুনসুটি দিয়ে বড় বেলাতেও একটা মাকে কতটা শান্তিতে রাখা যায়।
শিখলাম: 'মা' পাশে না থাকার জ্বালা কেমন । আর মা না থাকলে, আজ আমি কোথায় ভেসে যেতাম...
আমার' ''মা'' আর আমি ফ্রেন্ড এর মত ।দুষ্টামি , গাল টানা টানি , করতাম । আজ কত মিস করি
[একজন বাবার গল্প]

মাহফুজুল আলম খান, দুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) থেকে...
প্রতীকী ছবিছেঁড়া লুঙ্গিকে কীভাবে ভাঁজের মধ্যে লুকিয়ে পরতে হয় বাবার কাছ থেকে শিখেছিলাম। অনেক যত্ন করে লুঙ্গি পরতেন বাবা। এক লুঙ্গিতে তিন চার বছর অনায়াসে পার করে দিতেন। ছোটবেলায় বাবার পরনে নতুন লুঙ্গি ঠিক কখন দেখেছি আমার মনে পড়ে না। এমনকি ঈদ, কোরবানিতেও না। ঈদের আগে পুরোনো পাঞ্জাবি আর ঈদের বিশেষ লুঙ্গি খানা বের করে দিতেন মা। ধোপার বাড়ি ঘুরে এসে সেই কাপড়গুলোই ঝকঝকে ঈদের পোশাক হয়ে উঠত।
নিজের জন্য নতুন কাপড়, এটা যেন তিনি ভাবতেই পারতেন না। এটাকে স্রেফ বিলাসিতা আর অনর্থক অর্থ অপচয়ের কাতারেই রাখতেন। আমার বড় বোনরা অনেক করে বলতেন বাবাকে, একটা নতুন জামা নেওয়ার জন্য। বাবা কয়েক বছরের পুরোনো কিন্তু দেখতে নতুনের মতো ঝকঝকে জামাগুলো দেখিয়ে বলতেন, এই দেখ আমার কত জামা।
টানাটানির সংসারে নিজের জন্য নতুন কাপড় কেনার বিলাসিতা এক দণ্ডও পছন্দ ছিল না বাবার। কিন্তু আমাদের প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের আপ্যায়ন খরচটা যেন ওনার গায়েও লাগত না। আমাদের শিক্ষকদের তিনি ঠিক ততটুকুই ভালোবাসতেন যতটুকু তিনি আমাদের বাসতেন। এক মাস এই খরচটা বাঁচালে নতুন কাপড় কিনতে কোনো বেগ পেতে হয় না।
একটা ছোট টেবিলের তিনপাশে চেয়ার টেনে আমরা তিন ভাই পড়তাম। মাঝখানে কেরোসিনের কুপিটা জ্বলত। প্রতিদিন বাবা কেরোসিন কিনতেন অল্প অল্প। দোকানে যাওয়ার আগে বোতলে থাকা তেলগুলো আরেকটি বোতলে জমিয়ে রাখতেন। যদি কোনো দিন তেল কিনতে না পারেন তাহলে জমানো কেরোসিন থেকেই সেই রাতটা পার করিয়ে দিতেন। কেরোসিন সাশ্রয়ের জন্য কুপির যে সুতোটা জ্বলত সেটা টেনে একটু ছোট করে দিতেন মা। যাতে আলোটা ছোট হয়ে দীর্ঘ সময় জ্বলে।
আমাদের টেবিলের হাত পাঁচেক দূরে আরেকটি চেয়ারে বসে থাকতেন বাবা। সেই সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত অবধি। আমাদের বিছানায় যাওয়ার অনুমতি দিয়েই তারপর তিনি বিছানা ধরতেন। শুধুই কী বসে থাকা? কিছুক্ষণ পর পর তিনি গল্প বলতেন। জীবনের গল্প। জীবনে হেরে যাওয়ার গল্প। জয়ের গল্প। মানবতার গল্প। মমতার গল্প। মানুষের গল্প। জীবনে টিকে থাকার গল্প। একাগ্রতার গল্প। অধ্যবসায়ের গল্প। এত গল্প!
জীবনের এমন কোনো শাখা নেই যে শাখার গল্পগুলো বাবার মুখে শোনা হয়নি। পড়ালেখার ফাঁকে ফাঁকে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনতাম বাবার গল্পগুলো। আর সেই গল্পের একজন হয়ে যেতাম কখনো কখনো। নিজের অজান্তেই সেই গল্পের আল ধরেই চলতাম আমরা। সম্বিৎ ফিরে পেয়ে আবার পড়ালেখায় মন দিতাম।
পূর্ণিমার রাতগুলোতে উঠোনে উঠোনে ছেলেমেয়েদের খেলাধুলোর পসরা বসতো। সারা বাড়ি গম গম করত হই হুল্লোড়ে। আমরা থাকতাম পড়ার টেবিলে। বাবা থাকতেন একই জায়গায়। হই চইয়ের মধ্যে আমাদের মনোযোগ ভ্রষ্ট হতে দেখলে বাবা একাগ্রতার গল্প জুড়ে দিয়ে শেষে বলতেন, মনে রেখো, বিশ্ব যদি চলে যায় কাঁদিতে কাঁদিতে, একা আমি বসে রবো কর্তব্য সাধিতে। তারপর এর ভাবটা সম্প্রসারণ করে বুঝিয়ে দিতেন একাগ্রতার গুরুত্ব। সত্যি সত্যিই এরপর আমরা আর কিছুই শুনতে পেতাম না। ছেলেমেয়ের হই হই কিংবা বিয়ে বাড়ির রই রই কোনো কিছুই এই দুই কানের ত্রিসীমানার হদিসও খুঁজে পেত না।
বাবার অসচ্ছলতা ছিল চাল-ডাল কেনার ক্ষেত্রে। কিন্তু খাতাকলম কেনার সময় কোনো দিন অসচ্ছলতা দেখিনি। এক রিম খাতা। কয়েক ডজন কলম। একবারেই কিনে রাখতেন বাবা। বলে রাখতেন, খাতা-কলম ফুরিয়ে যাওয়ার এক সপ্তাহ আগেই যেন বলে রাখি। দৃঢ়স্বরে বলতেন, যেভাবেই হোক, উপোস থেকে হলেও তোদের খাতাকলম আমি সংস্থান করে রাখবই।
একদিন পড়ার টেবিলের মাঝখানে থাকা কেরোসিন কুপির অবসান হলো। বাবা হাতে করে নিয়ে এলেন একটি হারিকেন। কেরোসিন কুপির কালো ধোয়ায় আমাদের নাকি ক্ষতি হচ্ছে। সেটা ভেবেই হারিকেন নিয়ে এলেন। তাতে বাবার ঝক্কি ঝামেলাই বেড়ে গেল। হারিকেনে তেল বেশি লাগে আবার এর ফিতাটাও কিনতে হয়। তবুও তিনি হারিকেন জ্বালাবেন। হারিকেনের অনেক সুবিধা আমরা পরখ করতে লাগলাম। চাবি দিয়ে হারিকেনের আলো ছোট বড় করা যায়। চোখে আলো না পড়ার জন্য ছোট ছোট কাগজ চিমনিতে আটকে দিলে, চোখ আরাম পেত। ঝড়-বাদলার দিনে হারিকেন নিয়ে বাইরে উঁকি দেওয়া যায়।
দশ কী বারো বছরের মাথায় আমার বাবা তার বাবাকে হারিয়েছেন। এই ছোট্ট শিশু বালকটিই সংসারের একমাত্র পুরুষ। সংসারের পুরো ঘানিই একাই টেনে নিয়ে যেতে হলো বালকটিকে। চাষের জমি দেখাশোনার পর মা-বোনের জীবিকার রসদ যুগিয়ে, নিজের জীবনের রসদ জোগানোর কোনো ফুরসতই যেন মিলত না তার। তবুও পড়ালেখার প্রতি দুর্নিবার আসক্তি এই অদম্য বালকটিকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। শত প্রতিকূলতা পেছনে রেখে হাইস্কুলের গণ্ডি মাড়িয়ে কলেজের দোরগোড়ায় পৌঁছে যান এতিম কিশোর। কিন্তু তত দিনে দামামা বেজে ওঠে হানাহানির। ছেলেটিকে একা পেয়ে কিছু লোভী প্রতিবেশী তার জমিজিরাত নিয়ে টানাহেঁচড়া শুরু করে। আর এই বিশৃঙ্খলাই বই-খাতা-কলমের সঙ্গে মিতালি গড়ে তোলা ছেলেটির জীবনে এক ঝোড়ো সন্ধ্যা নেমে আসে।
ছেলেটি একা। এই ঝড়ে অনেক কিছুই হারিয়ে ফেলে ছেলেটি। হারতে হারতে জীবনের ঘানি টেনে নিয়ে যায় সামনে। ঝড়ে ঝড়ে রাত আরও গভীর হয়। ঝোড়োময় জীবনের কোনো এক সময়ে তার জীবনে এক এক করে আমরা আসলাম। লেখালেখির উৎসাহ কিংবা গুনা গুনের ছিটেফোঁটা যদি আমার মধ্যে থেকে থাকে তবে সেটা আমার বাবার কাছ থেকে পাওয়া। চাল, ডাল সংস্থানের জন্য সারা দিন খাটাখাটির পরও দেখতাম অবসর সময়টুকুতে তিনি শরৎ সমগ্র, বঙ্কিম সমগ্র কিংবা গল্পগুচ্ছে ডুবে আছেন। শুধু সাহিত্য নয়; আইনের বই, কোরআন তাফসিরসহ যে কোনো ধরনের বই পেলেই ডুবে থাকতেন। আমরা নতুন ক্লাসে উঠলে আমাদের নতুন বইগুলো তিনিই প্রথমে পড়ে নিতেন।
লেখক যে প্রাইমারি স্কুলে পড়েছেন সেই স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নামফলকের একাংশপড়ালেখার প্রতি আমার বাবার এমন আগ্রহ, একাগ্রতা দেখে আমাদেরও বইগুলোর সঙ্গে গভীর সখ্য গড়ে উঠেছিল এবং সে জন্যই পড়ালেখা ছেড়ে উচ্ছন্নে যাওয়ার পথ কখনোই আমাদের জন্য খোলা থাকেনি। প্রবন্ধ লেখন কিংবা রচনা লেখন ছোটবেলায় কখনোই ব্যাকরণ বই থেকে শিখতে হয়নি। আমার বাবা নিজের হাতে নিজের মতো করে লিখে নোট করে রাখতেন।
১৯৯২ সালে আমার বড় ভাই জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা দেবেন। বাবা বললেন, সমসাময়িক হিসেবে ১৯৯১ সাইক্লোন রচনা আসতে পারে। বাবা হাত পাঁচেক দূরের সেই চেয়ার থেকে বলা শুরু করলেন আমার বড় ভাই লিখতে থাকলেন। আমার স্পষ্ট মনে আছে, বাবার মুখে ঘূর্ণিঝড়ের রাত-দিনের সেই বর্ণনাটি সাহিত্যের চেয়ে কোনো অংশেই কম ছিল না।
আরবি, বাংলা ও ইংরেজি সনের তারিখগুলো কখনোই বাবার ভুল হতো না। যন্ত্রে তার স্মৃতিশক্তি মাপতে পারলে নির্ঘাত অনেক ওপরেই দেখতে পেতাম। প্রতিবেশীর অনেকেই এসে জিজ্ঞেস করামাত্রই তিনি তারিখ বলে দিতেন। আমাদের চৌদ্দগুষ্টির নামও বলে দিতেন ফর ফর করে। বাবার হাতের লেখা ছিল দেখার মতো। সাদা কাগজে সুতো টানা লাইনের মতন সোজা।
একদম ছোটবেলায় বাবা আমাদের এমন কৌশলে বর্ণমালা ও অঙ্ক শেখাতেন যা ভুলে যাওয়াটাই অসম্ভব হয়ে যেত। শেখানোর সময় বিরক্তি কিংবা রাগের মতো বস্তুগুলো কখনোই বাবার ধারে কাছেও ঘেঁষতে দেখিনি। তার দেখানো পথে যখন একটি অঙ্ক ঠিক ঠিক ভাবে করে ফেলতাম, বাবা তখন হাত তালি দিয়ে শাবাশ শাবাশ বলে চিৎকার করে উঠতেন।
আমাদের প্রাইমারি স্কুলের অফিসের একটি ফলকে আমার বাবার নামটি পরপর তিনবার লেখা রয়েছে। বৃত্তি প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের নামফলক। ওখানে পর পর আমাদের তিন ভাইয়ের নাম ও পাশেই আমার বাবার নাম। হয়তো এই ফলকটিই আমাদের নিয়ে আমার বাবার স্বপ্নে দৃঢ়তা এনে দিয়েছিল। ছেলেদের পাঠচ্যুত না করানোর জন্য তিনি হয়তো তখনই সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছিলেন। আর এই কঠিন সিদ্ধান্তটিই তাকে ঠিক কয় বেলা আহারচ্যুত রেখেছিল আমার জানা নাই।
পড়ালেখার মতো এমন দুর্গম, পাথুরে রাস্তাটি তিনি সুকৌশলে আমাদের জন্য মসৃণ করে গড়ে দিয়েছিলেন। খালি পায়ে চলতে গিয়েও কখনো বুঝতে পারিনি কী পরিমাণ ঘামে, চোখের পানিতে রাস্তাটি কুসুমাস্তীর্ণ ছিল!
২০০৮ সালের ২৪ নভেম্বর বাবা তার ছেলেদেরকে জীবনের গন্তব্যের কাছাকাছি পৌঁছে দিয়ে নিজেই চিরকালের গন্তব্যের পথ ধরেন।
সুখ কী? আমি জানি বাবা, সুখের সংজ্ঞাটি আপেক্ষিক। তুমি চাইলে আমাদের কাজে ঠেলে দিয়ে যাবতীয় জাগতিক সুখের হিসাবটি কড়ায় গন্ডায় বুঝে নিতে পারতে। কিন্তু সুখের আপেক্ষিকবাদ তত্ত্বের যে ধারায় তুমি নিজের শীর্ণ শরীরটাকে পুড়িয়ে পুড়িয়ে আমাদের জন্য বিরাট মহিরুহের যে শীতল ছায়া রচনা করে গেলে, ঠিক কত প্রজন্ম ধরে তার স্তুতি গেয়ে শেষ হবে তা আমার জানা নাই।
বাবা, যেখানেই থেকো সুখে থেকো।
 বৃদ্ধাশ্রম নামক আস্তাকুড়

যে মা দশমাস দশদিন আমাদের গর্ভে ধারণ করেছেন, আদর স্নেহে তিল তিল করে বড় করেছেন, নিজের সকল শখ আহ্লাদ বিসর্জন দিয়েছেন কিন্তু একবারও আমাদের বোঝা মনে করেনি। সেই মাকে বোঝা মনে করে কিভাবে একজন সন্তান তাঁকে বৃদ্ধাশ্রম নামক আস্তাকুড়ে ফেলে আসতে পারে.???? ধিক তাদের প্রতি.. ধিক তাদের মানুষরূপী মুখোশ গুলোর প্রতি...

জানা অজানা । 


আমার Twitter ID থেকে নেওয়া । কথা গুলা বাংলা লিখলাম 
আকাশে ওটা কী? ইউএফও নাকি?
নাসার মহাকাশচারী স্কট কেলির একটা টুইটের পর থেকেই এই প্রশ্ন এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে গত ১৫ নভেম্বর দক্ষিণ ভারতের মাথার অনেক অনেক উপরে মহাকাশের একটা ছবি তুলে ছিলেন স্কট। সেই ছবি টুইট করার পরেই সবার চোখ ছানাবড়া! ছবির ডান দিকে আকাশে কী যেন একটা চাকতির মত চকচক করছে না? অনেকের দাবি, উপরে নিকশ কালো মহাকাশ আর ঠিক নীচে টিমটিমে হাজার জোনাকির মত জলে ওঠা ইন্ডিয়ান পেনিনসুলার ছবি তুলতে গিয়ে স্কটের ক্যামেরায় আসলে ধরা পড়েছে আনআইডেন্টিফায়েড ফ্লাইং অবজেক্ট বা ইউএফও-র ছবি। আর কে না জানে উড়ন্ত চাকি মানেই চলে আসে ভিন গ্রহের সেই অজানা অচেনা প্রাণীদের কথাও।
আম জনতা তো বটেই, এই ছবি দেখে রীতিমত উত্সাহী হয়ে উঠেছেন বিজ্ঞানীরাও। থিওরিটিকাল ফিজিসিস্ট মিশিও কাকু প্রশ্ন করেছেন ‘‘এটাই কি তা হলে...?’’
স্কট কেলি মাঝে মাঝেই ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে ছবি তুলে টুইট করেন। তাঁর মত এক মহাকাশচারীর ক্যামেরায় যখন ইউএফও-র মত কোনও কিছুর আভাস মাত্র পাওয়া যায়, তা নিয়ে হইচই হওয়াটাই স্বাভাবিক।
ছবিটা নিয়ে জোর গবেষণা শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। অনেকের মতে সিগার আকৃতির চকচকে বস্তুটা আসলে ধাতব। লম্বায় আনুমানিক ২৫ মিটার।
অনেকের অবশ্য বক্তব্য, ওই চকচকে বস্তুটা আদতে কোনও দাগ মাত্র।
তবে এই এক ছবিই যে এলিয়ান নিয়ে বিতর্কটা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে তুলল, সেটা বলাই বাহুল্য।
 যে যায় যেতে দেও

"কেউই জীবন থেকে পুরোপুরি চলে যায় না ... বইয়ের
ফাঁকে ঠিকই গোলাপের শুকনো পাপড়ি হয়ে রয়ে যায় ...
প্রিয় গানটার সুরের মাঝে চুপচাপ লুকিয়ে থাকে সে ...
রিকশার সিটের খালি জায়গাটুকুতে ঘাপটি মেরে বসে
থাকে ... তাকে ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না ... শুধু তার
অস্তিত্ব টের পাওয়া যায় !!
শুধু মানুষটাই জীবন থেকে হারিয়ে যায় ... মানুষটার
স্মৃতি হারায় না ... চ্যাট লিস্টে সবার উপরে যে নামটা
থাকতো একসময়, এখন তার নামটা সার্চ বক্সে টাইপ
করলেও আর আসে না ... খুব করে খুঁজলে ছবিবিহীন
কালো রঙের নামটুকু জানিয়ে দেয় সবকিছু !!
অনেক অনেক নতুন মানুষের ভীড়ে চাপা পড়ে যায় পুরনো
কেউ কেউ ... সেই চাপা পড়া ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে
ঐ মানুষটাই কোন কোন রাতে ফেরত চলে আসে ...
পূর্বাভাস ছাড়াই বুকের ভেতরটায় তখন তুমুল ঝড় বইতে
থাকে ... অতীত নামের দমকা হাওয়া এসে মূহুর্তেই
ওলটপালট করে দেয় সবকিছু !!
পুরনো কোন গল্পই আসলে মুছে যায় না ... গল্প গল্পের
জায়গাতেই থাকে ... একটা সময় শুধু তোমাকেই গল্পের
চরিত্র থেকে মুছে দেয়া হয় ... খুব যত্ন করে মুছে দেয়া
হয় !!
খুব চেনা, খুব আপন বাড়িটা কিন্তু ঠিকই রয়ে যায় ...
মাঝে মাঝে চোখের সামনে দেখে ভীষণ মায়া হয় ...
দরজায় ছুটে গিয়ে ঠকঠক করে কড়া নাড়তে ইচ্ছে হয় ...
মুঠো করা হাতটুকু কাঁপতে থাকে ... কড়া নাড়ার অদম্য
ইচ্ছেটুকুকে জন্মের সাথে সাথেই মাটিচাপা দিয়ে
দিতে হয় ...
তুমি, আমি আর আমাদের পুরনো বাড়িটা একদম আগের
মতই আছে ... শুধু দরজার সামনে চোখের জলের স্বচ্ছ
কালিতে লেখা "প্রবেশ নিষেধ" নামক একটা অদৃশ্য
সাইনবোর্ড নীরবে চিৎকার করে বলেঃ
"সবকিছুই আগের মতই আছে ... শুধু অধিকারটুকু নেই।
বয়স কালের 

২১ থেকে ২৪.... ছেলেদের জন্যে জীবনের সবচেয়ে কঠিন
বয়স। বলতে গেলে মাঝ সমুদ্রে এসে আঁটকে থাকার মতো
একটা বয়স। যেখান থেকে সামনে কি আছে জানা নেই...
আবার পিছনে ফিরে যাবারও উপায় নেই।
এই বয়সে প্রেমিকার বাসায় একের পর এক বিয়ের প্রস্তাব
আসে.... প্রেমিকা যখন বিয়ের জন্যে চাপ দেয়, তখন
বিষয়টি সম্পূর্ণ একটি হাস্যকর ব্যাপারে পরিণত হয়। এই
বয়সে বিয়ের চিন্তা করাটাও ইঁচড়ে পাকামী... আবার
চারপাশে বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে যাওয়ার খবর শোনাটাও
অস্বস্তির। একদিন প্রেমিকারও বিয়ে হয়ে যায়... এই ঘটনা
জানানোর মতো বাসায় কাউকে পাওয়া যায় না ।
এই বয়সে পায়ের উপর পা তুলে নিউজ চ্যানেল দেখা যায়
না... আবার কার্টুন চ্যানেল দেখাটাও ছেলে মানুষী হয়ে
যায়। সমবয়সী বা ছোট মেয়ে কাজিনরা এসময় দেখলে খুব
দূরের মানুষের মতো ব্যবহার করে। কয়েক বছর আগেও যে
মুরব্বীরা ঈদের সালামী হিসেবে কচকচে একশ টাকার
নোট হাতে ধরিয়ে দিতেন... তাঁরা এসময় খুব গম্ভীর মুখ
করে জিজ্ঞেস করেন, "ফিউচার প্ল্যান কি...??
ক্যারিয়ার নিয়ে কি ভাবলে??"
এই বয়সে ডাইনিং টেবিলে বসে আহ্লাদী করে মা'কে
খাইয়ে দিতে বলা যায় না.... তরকারী পছন্দ না হলেও
শান্ত ভাবে খাওয়া শেষ করতে হয়। এসময় ছোট-খাটো
জ্বর, সর্দি-কাশি হলে সেটা কারো চোখে পড়ে না.... এই
ধরণের অসুখগুলো নীরবে সহ্য করে যেতে হয়।
এই বয়সটা কিছুই না পাওয়ার.... পুরোনো কাছের
মানুষগুলোকে হারিয়ে ফেলার। এই বয়সটা অনিশ্চয়তার।
অনাকাঙ্খিত, অপ্রত্যাশিত দায়িত্বের।
যেসব দায়িত্ব কাঁধে নেয়ার পর ভুলে যেতে হয় কে আমি,
কি ছিলাম... কেনো আমি।
ছোট ছোট ভুল 

"খুব ছোট্ট কারণে মানুষের মন ভালো হয়ে যায় ... খুবই
ছোট্ট কারণে ... বিশ্বাস করতে কষ্ট হতে পারে ... কিন্তু
গতকাল সকালেই যখন কারণে বা অকারণে তোমার ঠোঁটের
কোণে এক চিলতে রোদ্দুরের মত একটুখানি হাসি
ফুটেছিল, ঐটুকু দেখেই কারো না কারো মন ভালো হয়ে
গিয়েছিলো ... হয়তো তুমি খেয়াল করো নি ... পৃথিবীর

অনেক সুন্দর ঘটনাই দৃষ্টির আড়ালে ঘটে যায় !!
কেউ কেউ প্রচন্ড বিষণ্ণতা নিয়ে ঘন্টাখানেক ধরেই
বারবার ফোনের দিকে তাকিয়ে অপেক্ষা করছে ... তুমি
ম্যাজিশিয়ানের মত আঙ্গুল ছুঁইয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ডে
তার মন ভালো করে দিতে পারো ... হাজার মাইল দূর
থেকে সামান্য একটা মেসেজ পাঠিয়ে তুমি হয়তো কিচ্ছু
টের পাবে না ... কিন্তু বিশ্বাস করো, সামান্য "1 NEW
MESSAGE" - নামক ৩ টা শব্দ দেখে একটা মানুষ কতখানি
খুশি হয়ে যেতে পারে, তা তোমার কল্পনার বাইরে !!
তোমার একটা ছোট্ট মেসেজ ... একটা ছোট্ট "কেমন
আছো?" - নামের দুই শব্দের জিজ্ঞাসা ... একটা ফোনকল
... অথবা মুচকি হাসি ... এই ছোট্ট কাজগুলোর যে কোন
একটিই কোন না কোন মানুষের দিনটা বদলে দিতে পারে
... কারো মন ভালো করে দেয়ার চমৎকার ক্ষমতা তোমার
মাঝে আছে ... তুমি বেখেয়ালি, বড্ড বেখেয়ালি !!
পৃথিবীর কেউ না কেউ তোমাকে খুব গোপনে ভালোবাসে
... তোমার অগোচরে ভীষণ ভালোবাসে ... খুব গোপনে, খুব
নীরবে অপেক্ষা করে কখন নিজের অজান্তেই ছোট্ট
একটি কাজ করে তুমি তার মন ভালো করে দিবে !!
এক বিন্দু হাসি দিয়ে কাউকে এক সমুদ্র সমান
ভালোলাগার অনুভূতি উপহার দিতে কোন ক্ষতি নেই ...
তুমি শুধু একটুখানি হাসি দিও ... ভুল করে হলেও একটুখানি
হাসি দিও !!
মা জাতি টা বড়ই অদ্ভুত

একজন মা তার নিজের জীবন দিয়ে,
ছেলেকে সুখ কিনে দিয়ে গেলেন।
--------
মা জাতি টা বড়ই অদ্ভুত। সবমেয়ে মনে রাখ তুমি ও একদিন মা হইবা। 
একবার হলেও পোস্টটি পড়ার অণুরুধ থাকলো।
-----------------------------------------------------------
মায়ের অনেক স্বপ্ন ছেলেকে বড় Army Officer বানাবে, আর সই সপ্বনো পূরন করতে
সার্টিফিকেট নিয়ে চলে গেলো bd army তে
যোগ দিতে,,,,। সব ধরনের যোগ্যতা থাকতেও
তাকে Army তে নেয়া হলনা,, সেখানে কর্মরত
একজন officer তাকে বলল,
বাবা এখানে যোগ্যতা দিয়ে কিছু হবে না,,
দরকার ক্যাশ টাকার,,, তুমি দশ লাক্ষ টাকা
নিয়ে আসো আমি চাকরীর ব্যবস্থা করে দিবো।। [আফোটার অল বাংলাদেশ বলে কথা ।] এদিকে মা Hospital এর I C U তে ভর্তি,
ডক্টর বলেছে, মা'কে জরুরী অপারেশন করতে
হবে তাতে খরচ হবে প্রায় দশ লাক্ষ টাকা,,
যত তাড়াতাড়ি সম্ভব টাকার ব্যবস্থা করেন
নয়তো আপনার মা'কে বাচানো যাবেনা।। [*এটা কোন বাংলা সিনেমা না,সত্যি কথা ]
ছেলে আর দেরী না করে বাড়ী গিয়ে তার বড় মামাকে সাথে নিয়ে জায়গা জমি বাড়ি বিটা
যা ছিলো সব বিক্রি করে দশ লাক্ষ টাকা নিয়ে Hospital এ পৌছালো,,
টাকা গুলা ডক্টর সাহেবকে দিয়ে, icu Bad এ শুয়ে থাকা মায়ের পাশে গিয়ে দাড়াতেই মা বলল,
বাবা তোর চাকরী হয়েছে,,
মায়ের মুখে হাসি দেখার জন্য মিথ্যা সান্তনা
দিয়ে বলল,, হা মা আমার চাকরী হয়েছে
তুমি আমার জন্য কোন চিন্তা করোনা,,এই কথা বলেই ছেলে চলে গেল,।
মা ঠিকই বুঝতে পাড়লো ছেলের চাকরী হয়নি।
মা, তার বড় ভাইকে ডেকে সব শুনলো,,
এসময় মায়ের অপারেশন করার জন্য সবধরনের
প্রস্তুতি করে ডক্টর এসে মা'কে বলল,
এখনি আপনার অপারেশন করা হবে কারো সাথে কিছু বলার থাকলে বলতে পাড়েন।
মা চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে ডক্টরকে বলল,
বাবা আমার অপারেশন করতে হবেনা।
ডক্টর অবাক হয়ে বলল,, মানে? কি বলছেন আপনি?
মা,, হ্যা,, বাবা,, আমার অপারেশন করতে হবেনা
আর আমার ছেলে আমার অপারেশনের জন্য যে টাকা দিয়েছে তা আমাকে ফিরিয়ে দেন।।
ডাঃ:-আপনি জানেন আপনি কি বলছেন?
তাছাড়া এই অপারেশন না করলে আপনি বাচবেন না।
মা:- দেখো বাবা আমিও জানি আমি বাচবনা
কিন্তু, আমার স্বপ্ন, আমার ছেলেকে Armyr পোশাকে দেখবো,, আর এই দশ লাক্ষ টাকা হলেই আমার ছেলে আর্মির চাকরীটা পাবে।
তাছাড়া, আমার অপারেশন হলেই আর কতদিন বাচবো? কিন্তু আমার ছেলে যদি চাকরীটা পায় তাহলে ওর ভবিস্যত উজ্জল হবে,, ওর জীবনের বাকিদিন গুলা সুখে কাটবে,,।। আমি মা' ছেলের সুখ মানেই আমার সুখ,, হয়তো সামনে থেকে সেই সুখ উপভোগ করতে পারবো না,, তারপরও আমি ভাল থাকবো,,
ডক্টর মায়ের কথা শুনে কেঁদে ফেলল, বলল মা আপনারা এত দয়া ময়ী কেনো?
# জাবাবে মায়ের চোখের পানি ঝরলো!
ডক্টর টাকা উঠিয়ে ছেলের মামা কে দিয়ে সব বুঝিয়ে বলল,,, মামা টাকা নিয়ে সই Army officer কে দিয়ে বলল এই নেন টাকা,, আমার ভাগীনার চাকরীর জন্য।
ছেলে: মাকে মিথ্যা বলছিলাম,, কিন্তু আজ সত্যি চাকরী হয়েছে,, দৌড়ে এল Hospital এ মা'কে সত্য বলবে বলে,,
কিন্তু, তখন মা আর নেই,,, icu থেকে বেড়িয়ে আসছে মায়ের লাশ,,,
মামা,, তাকে সব খুলে বলল।। তাকে সান্তনা দিতে এল সবাই, কিন্তু কিছুতেই ছেলের মন মানছে না।
মায়ের লাশ জরিয়ে ধরে হাও মাও করে কেদে উঠলো এবং বলল,,
# মা তুমি কেনো এমন করলা?
তুমিই তো আমার সব ছিলা,,
পৃথিবীর সমস্ত সুখ তো তোমার কাছেই পেতাম।
মা তুমি, আমার সুখের জন্য নিজের জীবনটাই দিয়ে দিলা???
কেউ কপি /Copy করবেন না ।
পারলে শেয়ার করেন ।

Monday, January 11, 2016

গার্লফ্রেন্ডকে প্রপোজ করার নানান ধরন(ফান পোষ্ট)!

প্রপোজ করবেন কি ভাবে নিজেই নির্বাচনকরুন!!!! wink emoticon
১. ব্ল্যাকমেইল স্টাইলঃ আমি তোমাকে ভালবাসি।
তুমি হ্যাঁ বললে তো ভালো। কিন্তু না বললে তখন
অন্য মেয়ে খুঁজতে হবে। আর সেটা তোমার বোন ও হতে পারে!! wink emoticon
২. ডাইরেক্ট স্টাইলঃ শোনো মেয়ে,
আমি কোনো রকম ভূমিকা-টূমকা
না করে একেবারে সোজাসুজিভাবে তোমাকে একটা কথা বলে দিতে চাই।
- আমি তোমাকে ভালোবাসি। tongue emoticon
৩. মাস্তানি স্টাইলঃ ওই মাইয়া, ভালবাসা দিবি কি-
না, বল!(চাকু/বন্দুক দেখিয়ে) gasp emoticon
৪. যুক্তিবাদী স্টাইলঃ আমি তোমার ছোট
ভাইকে ভালোবাসি। তোমার ছোট ভাই
তোমাকে ভালোবাসে। অতএব, যুক্তিবিদ্যার
নিয়মে কি হয়? বাকিটা তুমিই বল!! :lol:
৫. চালাক স্টাইলঃ তুমি কি জানো, আমাদের জাতীয়
সংগীতের দ্বিতীয় লাইন টা কি?? wink emoticon
৬. রসিক স্টাইলঃ Excuse me!
আমি তোমাকে প্রপোজ করতে চাই। please
অনুমতি দাও। frown emoticon
৭. হিজড়া স্টাইলঃ এই দুষ্টু মেয়ে। তুমি এ কি জাদু
করলা? তোমাকে দেখলে আমার হার্টবিট বেড়ে যায়।
আবার তোমাকে না দেখলে অস্থিরতা মরে যাই।
তুমি কি জানো?
আমি তোমাকে অনেননননননননন….ক ভালোবাসি। tongue emoticon
৮. ডিজুস স্টাইলঃ Hi,whatsup sweet
heart ? , wanna be maa
lavaa,actually I am in love with u ! tongue emoticon grin emoticon
৯. ভীতু স্টাইলঃ ইয়ে মানে!! ইয়ে মানে !!!
আমি মানে ! আমি মানে তোমাকে ,……। ( আর
বলা হয় না ) tongue emoticon
১০. গায়ক স্টাইলঃ গানের
গলা ভালো হলে একটা গান গেয়ে বলতে পারেন…
“এত ভেবে কি হবে? ভেবে কি করেছে কে কবে?
ভাবছি না আর, যা হবে হবার। এত দিন বলিনি,
তুমি জানতো আমি এমনি…… ভালবাসি !!” smile emoticon
১১. দেবদাস স্টাইলঃ কেউ আমাকে ভালবাসে না। এ
জীবন আমি রাখবনা। তোমার কাছে বিষ হবে? আমায়
বিষ দাও। আমায় বিষ দাও। (কান্নায় ভেঙ্গে পড়ুন) tongue emoticon
১২. কাব্যিক স্টাইলঃ কবি কবি ভাব থাকলে ২
লাইন কবিতার মাধ্যমে প্রপোজ করতে পারেন !!
আশা করি এই টুকলিফাই এর যুগে কবিতার অভাবহবে না!! grin emoticon
১৩. অনুভূতিহীন স্টাইলঃ তোমাকে আমার খুব পছন্দ
হয়েছে। এখন তুমি আমাকে পছন্দ না করলেও
আমি পাঁচতলা থেকে লাফ দিবো না, বিষ খেয়েও
মরবো না। যদি আমাকে তোমার পছন্দ হয়,
তাহলে বল। wink emoticon
তো আপনি কোন স্টাইলে করবেন?
           বুদ্ধিমানের কাজ

একটি সুন্দরী মেয়ে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ
দিতে পারবে না। কিন্তু একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ
তোমাকে অনেক সুন্দরী মেয়ে দিবে...!
তাই কোনো মেয়ের পিছনে সময় ব্যায় না
করে সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠন করার জন্য সময়
ব্যায় করা হবে বুদ্ধিমানের কাজ ।
পথ চলতে চলতে যদি পিছলে পড়ি,
হাত ধরো, অন্ততঃ একটি হাত।
আবার উঠে দাঁড়াবো, ঘুরে দাঁড়াবো।
*ভুল পথে যদি কখনো পা বাড়াই,
শুধু একটি হাত ঊঠিয়ে ইশারা করো,
নিমেষেই বুঝে নিব, ফিরে আসবো।
*অন্তিম শয্যাশায়ী হলে, যদি বাকহারা হয়ে যাই,
শুধু একটু ভালবাসা নিয়ে হাতটি ধরে রেখো,
চলে যাবো, নয় ফিরে আসবো, হাসতে হাসতেই!
        œ স্কুল লাইফ œ
.
.
ছোটবেলা থেকেই স্কুলে আমরা কয়েকটা জিনিস শিখি।
.
রোজ সকালে স্কুলের এসেম্বলিতে ডান হাত তুলে শপথ, আমি শপথ করিতেছি যে, মানুষের সেবায় নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রাখিব এবং দেশের প্রতি অনুগত থাকিব, দেশের একতা ও সংহতি বজায় রাখার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকিব, হে আল্লাহ আমাকে শক্তি দিন, আমি যেন দেশের সেবা করতে পারি এবং বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলতে পারি, আমিন।
.
- এই রকম কিছু কথা
- সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত
- আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালবাসি
- সবাইকেই গাইতে হয়
.
বড়দের সম্মান করা, ছোটদের স্নেহ করা, রাগ নিয়ন্ত্রণ করা, সুন্দর করে কথা বলা, নিয়মানুবর্তিতা, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, সময় মত কাজ করা, সুন্দর করে লেখা, বাংলা ইংরেজি ও আরবি ভাষায় লিখতে ও পড়তে শেখা।
.
বড় হয়ে ওঠার সাথে সাথে আমরা আরও অনেক কিছু শিখি, খুব ছোটতে, মা বাবার হাত ধরে দাঁড়াতে শিখেছি, এরপর হাঁটা, দৌড়ানো, তার সাথে সাথে একা একা খাওয়া, কথা বলা, পেন্সিল কলম ধরা, দরজার ছিটকিনি লাগানো বা খোলার মত এক একটা জিনিস আমাদের হাতে ধরে শেখানো হয়, দুষ্টুমিটাও একটা সময় আপনা থেকেই শিখে যাই।
.
কিন্তু দেশকে ভালবাসা কে শেখায়??
তৃষ্ণা পেলে আমরা জলের কদর বুঝি, দেশ ছেড়ে বাইরে যাও, বুঝবে দেশ কি, এই যে দেশ ছেড়ে বিদেশে আছো, এখানে এক'শ বছর থাকলেও লোকে জিজ্ঞেস করবে, Where are you from?? এই দেশ আমার দেশ না, কখনও ছিল না, কখনও হবেও না আমার দেশ বাংলাদেশ।
.
অনেকেই বলে, দেশ আমাকে কি দিয়েছে?? নিজেকে প্রশ্ন করো, দেশ তোমাকে কি দেয়নি?? পায়ের নীচে মাটি, মাথার উপর মুক্ত আকাশ, শ্বাস নেবার জন্য অক্সিজেন, পান করবার জন্য পানি, খাবার জন্য খাদ্য, পরনের পোশাক দিয়েছে।
.
দেশ তোমার লেখাপড়া করার জন্য স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি করে দিয়েছে, দেশ তোমার চলাফেরার জন্য রাস্তাঘাট ও যানবাহন দিয়েছে, দেশ তোমার কাজের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে, সর্বোপরি দেশ তোমাকে স্বাধীন ভাবে বাঁচার সুযোগ করে দিয়েছে।
.
কল্পনা করো ধু ধু মরুতে তুমি একা, তোমার পকেট ভর্তি সোনার মোহর, কি করবে তুমি সেগুলো দিয়ে? সোনার মোহর চিবিয়ে খাওয়া যায় না।
.
গরীব একটি দেশ, মাত্র ৪৫ বছর বয়স যে দেশের জন্ম হয়েছে যুদ্ধ দিয়ে, যে দেশের পথ চলা শুরু হয়েছে ভেঙ্গে গুড়িয়ে যাওয়া দালান কোঠার ভেতর থেকে, যে দেশের মানুষ দুবেলা নয়, মাত্র একটি বেলা খাবার জন্য সংগ্রাম করে, সে দেশে অনেক অপ্রাপ্তি থাকবেই, অনেক অসামঞ্জস্য থাকবেই।
.
ছোটবেলায় নেয়া সেই শপথ বাক্য ভুলে গেছো? মানুষের সেবায় নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রাখিব এবং দেশের প্রতি অনুগত থাকিব, দেশের একতা ও সংহতি বজায় রাখার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকিব।
.
এই দেশটাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে কে? কে এই দেশের জন্য কাজ করবে? কে একে একে দূর করবে সব অসামঞ্জস্য? আজকে তুমি যে সমস্যা অনুভব করছো, তোমার ছোট ভাইটি বা বোনটি, অথবা তোমার সন্তান যেন এই একই সমস্যা অনুভব না করে, এটা তুমি চাও না? কি করেছো তুমি সমস্যা সমাধানের জন্য?
.
মাত্র একজন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মানুষও পারে বড় একটা পরিবর্তন আনতে।
.
আমাদের করা ছোট ছোট সমাধান, ছোট ছোট ভাল কাজ এক সময় এই দেশটাকে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে বিশাল ভূমিকা রাখবে।
.
চিরদিন তোমার আকাশ
তোমার বাতাস
আমার প্রাণে
ওমা আমার প্রাণে বাজায় বাঁশী
সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালবাসি।
সাদা বা ফর্সা মানেই কিন্তু সুন্দর
নয়, আর কালো মানেই কিন্তু
কুতসিত
নয়। কাফনের কাপড় সাদা কিন্তু
ভয়ানক। কাবা ঘর কালো কিন্তু
অপরূপ। মানুষের সৌন্দর্য বাহ্যিক
দৃশ্যে নয়, চরিত্রদ্বারাই মানুষ সুন্দর
হয়।”
♪___________বায়না____________♪

    সকলেই এক নয়.__(অনূগ্রহ করে সম্পূর্ন না পড়ে কমেন্ট
করবেন না)
.
আমায় যখন পড়ালেখার জন্য কে.জি
স্কুলে ভর্তি করা হয় তখন বয়স সম্ভবত চার
কি পাচ হবে! আমি নাকি খুবই দুষ্ট
প্রকৃতির ছিলাম!!
.
স্কুলে যাওয়ার জন্য বিভন্ন ধরনের বায়না
ধরতাম!! না দিলে স্কুলে যেতাম না!!
স্কুলের নাম করে পালিয়ে বেড়াতাম!!
যদিও এসব কথা পুরপুরি মনে নেই কিন্তু
মা'র মুখে থেকে শুনা কথা! ক্লাস টু'র পর
থেকে মোটামুটি মনে আছে!!
.
যখন ক্লাস টু'তে পড়ি তখন স্কুলে যাওয়ার
জন্য বায়না ধরলাম প্রতিদিন চার টাকা
করে দিতে হবে!! না দিলে স্কুলে যাবো
না!! তখনকার সময় চার টাকা অনেক কিছু
ছিল!!
.
যদিও আমাদের পরিবারের অবস্থা সেই
মূহুর্তে তেমন ভালো ছিল না!! তবু যত কষ্টই
হোক মা প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার জন্য
চার টাকার ব্যবস্থা করে দিতেন!!
.
এভাবে চলারপর ক্লাস থ্রী'তে উঠে
চাহিদাও বেড়ে গেল ৫ টাকা দিতে হবে!!
না হয় স্কুলে যাওয়া বন্ধ!! মা তাই মেনে
নিলো!! ৫ টাকাই প্রতিদিন অনেক কষ্টে
জোগার করে দিতে লাগলো!!
.
ক্লাস ফোর এ উঠে বায়না ধরলাম ১০
টাকা দিতে হবে!! না হয় একটাই ভয়
দেখাতাম,স্কুলে যাব না!! মা তাতেও
রাজি হল!! প্রতিদিন ১০ টাকা করেই
দিতে লাগলো!!
..
ক্লাস ছিক্সে যখন উঠলাম,বায়না ধরলাম
হেটে হেটে স্কুলে যেতে পারব না!!
সাইকেল কিনে দিতে হবে!! মায়ের চোখে
তখন বিন্দু বিন্দু অশ্রুকনা দেখেছিলাম
মনে আছে!!
.
তখন তো আর বুঝতাম না তাই আমার
সিদ্ধান্তে আমি অটুট ছিলাম!! সাইকেল
কিনে দিতেই হবে!! মা তখন তার কানের
দুল বিক্রি করে সাইকেল কিনে
দিয়েছিল!!
.
বাবাও এর পরপরই ভালো একটা চাকরি
পেয়ে গেল চট্রগ্রামে!! আমাদের
পরিবারের অভাব-অনোটন ও মোটামুটি দূর
হতে লাগলো!!
.
এভাবে সেভেন পার করে ৮ম শ্রেনীতে
উঠে বায়না ধরলাম কম্পিউটার কিনে
দিতে হবে!! আগের মত একটিই ভয়
দেখালাম লেখাপড়া বন্ধ!! যেহেতু
এতদিনে পরিবারের অবস্থা একটু স্বচ্ছল!!
তাই তারাও রাজি হল এবং কম্পিউটার
কিনে দিল!!
.
যখন S.S.C পরীক্ষার সময় হল তখন বায়না
ধরলাম পরীক্ষার পর মোটরসাইকেল কিনে
দিতে হবে!! তাতেও তারা রাজি!!
ভালোভাবে Ssc পরীক্ষা দিলাম!!
.
রেজাল্টও মোটামুটি ভালোই হল!! মা
খুশিতে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার
টাকাও জোগার করতে লাগলেন!!
.
এই প্রথম মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে
বলেছিলাম,না মা থাক মোটরসাইকেল
কিনতে হবে না!! ঐ টাকা ব্যাংকে রেখে
দাও!!
.
মায়ের চোখে সেদিনও বিন্দু বিন্দু অশ্রু
দেখেছিলাম!! তবে এই অশ্রু কষ্টের নয়
সুখের!! কেননা তার সেই ছোট্র ছেলেটি
আজ বুঝতে শিখেছে!!
.
আরও কত যে বায়না ধরেছি তার কোন
ইয়াত্তা নেই!! একটাই ভয় দেখিয়েছি
লেখাপড়া বন্ধ!! সেই ভয়ে,শত কষ্টের
মধ্যেও প্রত্যেকটি বায়না পূরন করেছে!!
কখনও কষ্ট উপলব্ধি করতে দেয় নি!!
.
লেখাপড়া মোটমুটি শেষ করে,চাকরি
করতে শুরু করলাম!! মোটা টাকা বেতন পাই
এখন!! সবই বাবা-মা এর অবদানে!!
.
.
[আর এখন সেই বাবা-মা যখন আমাদের
কাছে বায়না ধরে;বাবা ঘরে কিন্তু এই
নেই!! একবারের পর দ্বিতীয় বার বললে
ঝাড়ি দেই,,পারবো না তোমার সংসার
টানতে,,না থাকলে না খেয়ে থাকো,মরে
আমায় উদ্ধার কর,এসব আর ভালো লাগে
না!!
.
বউয়ের কথা শুনে বাবা-মাকে
বিদ্ধাশ্রমে রেখে আসি!! যারা কিনা
তাদের সবকিছু বিষর্জন দিয়ে আমাদের
মানুষ করেছেন!! যাদের কারনে পৃথিবীর
আলো দেখেছি!]
.
.
কি এমন ক্ষতি হত তাদের?? যখন ভয়
দেখাতাম,""না দিলে স্কুলে যাওয়া বন্ধ
করে দিবো!! কোন ক্ষতি ছিল কি????
.
আর লেখাপড়া শিখিয়েই বা কি লাভ
হয়েছে??? কোন লাভ হয়েছে কি??? হ্যা
একটি লাভই হয়েছে,তার ছোট্র সেই
ছেলেটা আজ অনেক টাকা উপার্জন করে
সুখে-শান্তিতে আছে,বড় বড় নামিদামী
মানুষদের সাথে উঠা-বসা করছে!!
[[এটাই পৃথিবীর নিশ্বার্থ ভালোবাসা!!
সকল বাবা-মা দীর্ঘজীবি হোক]]
.
............[বিঃদ্রঃ সকলেই এক নয়]...............